খুলনা নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জু তার নেতাকর্মীকে গ্রেফতারের অভিযোগ করে আসছিলেন বার বার। খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচন ঘিরে দলের নেতাকর্মীদের নির্বিচারে গ্রেফতারের অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে রিট করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান।

গ্রেপ্তার সংক্রান্ত আপিল বিভাগের নির্দেশনা না মেনে খুলনা সিটি করপোরেশন এলাকায় বিএনপির কোনো কর্মী, ভোটার, সমর্থক গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহানের করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার রুলসহ এ আদেশ দেন।

পুলিশের মহাপরিদর্শক, খুলনার পুলিশ কমিশনার ও পুলিশ সুপারের প্রতি এই নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

উল্লেখ্য, খুলনা এবং গাজীপুর দুই সিটির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকেই তাদের কর্মীদের গণগ্রেফতারের অভিযোগ করে আসছিলেন দুই সিটির বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থীরা। যদিও সরোজমিনে ঘুরে তাদের এই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।

গোপন সূত্রে জানা যায় নিজেদের পরাজয় আঁচ করতে পেরে এবং নির্বাচন বর্জনের অপকৌশলের অংশ হিসেবে তারা সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই তথাকথিত গণগ্রেফতারের অভিযোগ করে আসছিলেন।

আরো জানা যায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মাদক, ছিনতাই, ধর্ষণ সহ বিভিন্ন ধরণের মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়া আসামিকে গ্রেফতার করতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই স্বাভাবিক কার্যক্রমকে উসিলা ধরে এবং বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামিকে নিজেদের কর্মী দাবি করে উক্ত অভিযোগ করে আসছিলেন দুই বিএনপি মেয়র প্রার্থী।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন
আপনার নাম লিখুন