১৫ মে দেশের আলোচিত গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন মেয়র নির্বাচন একসাথে হবার কথা থাকলেও এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে তিন মাসের জন্যে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে স্থগিতাদেশ দেয় হাইকোর্ট। হাইকোর্টের এ আদেশের পর বিভিন্ন মহল বিভিন্ন ভাবে কুৎসা রটাতে থাকে। আর নির্বাচন বাতিলের সন্দেহের তীর ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের দিকেই বেশি থাকে। কারণ রিট জারি করা ব্যক্তিটি আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা।

কিন্তু রিটটি বেশিদিন টিকেনি যখন উচ্চ আদালতে রিটের বিপরীতে আবেদন করে আওয়ামী লীগ। ১০ মে দুপুরে আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ওপর দেয়া স্থগিতাদেশ বাতিল করে আগামী ২৮ জুনের মধ্যে নির্বাচনের নির্দেশ দেন। বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে আইনজীবীরা এই শুনানির সময় আদালতে উপস্থিত থাকলেও উপস্থিত ছিলেন না হাসান। তবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম শুরু থেকেই ছিলেন।

এর আগে নির্বাচনের প্রধান বিরোধী দল রিট জারির বিষয়টিকে নিয়ে রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগকে হেয় প্রতিপন্ন করতে থাকে। কিন্তু সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বেরিয়ে আসে ঘটনার পেছনের মূল সত্য।

জানা যায়, ৬ মে উচ্চ আদালতে রিটের আগে এপ্রিল মাসে আরো একবার রিট করেন সুরুজ। কিন্তু সে সময় তার আইনজীবী ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ। অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে ভেটো দেওয়ার পরে সর্বশেষ মামলাটি নিয়ে যায় তারা। কিন্তু নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা শুরু হলে বিএনপি আবার ষড়যন্ত্রের নীল নকশা শুরু করে। অন্য আইনজীবীর দ্বারা আবার হাইকোর্টে সুরুজকে দিয়ে সেই মামলাটি করিয়ে নির্বাচন বন্ধ করিয়ে দেয়া হয়। ব্যারিস্টার মওদুদের উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামী লীগ, সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীকে বেকায়দায় ফেলার। সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য সুকৌশলে এ কাজটি করে তারা।

যখন বিএনপি তাদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে সরকারকে প্রশ্নবানে জর্জরিত করেছে, তখন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী উচ্চ আদালতে গিয়ে মামলাটি লড়বার নির্দেশ দেন জাহাঙ্গীরকে। যার ফলশ্রুতিতে নির্বাচন বানচালের সমস্ত চেষ্টা মাঠে মারা যায় কুচক্রীদের। সুত্র: অদ্বিতীয় বাংলা

একটি মন্তব্য করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন
আপনার নাম লিখুন